কুয়াশার চাদরে মোড়ানো সন্ধ্যায়
কথা ছিল,
যুগল কাপে ধোঁয়া উঠা চায়ের সাথে
জোছনা দেখবো।
কথা ছিল
কনকনে ঠান্ডা পানিতে,
হাত ছোঁয়াবো
তোমার আবদারে।
দুদিনের অমসৃন চোয়ালে
তুমি হাত বুলিয়ে বলবে,
দেখো কি ঠান্ডা!
তোমার তনু ঘেষটে
আমার ওম নেবার
কথা ছিল,
পায়ের পাতা দুটো
আজও ঠান্ডা রয়ে যায়,
মোটা কম্বলের নীচে।
কথা ছিলো,
দুজোড়া পাতা উষ্ণতা ছড়াবে
যৌথ উদ্দোগে।
তুমি আসবে না
কথা গুলো
তোলা রইলো পরজন্মের খোঁজে।
তোমার তনুর স্পর্শ পাবো না
পাবো না সুঘ্রাণ তোমার কুন্তলের।
যাপিত জীবনের দূর্ভেদ্য ব্যকারণে
আমি হারাবো নিয়ত নিজেকে,
পিছন থেকে ঝাপটে জড়িয়ে
তুমি ভয় দেখাবে বলেছিলে।
আমি সে ভয়ের অপেক্ষায়
অন্ধ যামিনী পার হই নির্ভয়ে।
তুমি আর আসবে না
কথা গুলো তোলা রইলো
আর এক জনন এর রোজনামচায়।
কথার ছলে কত কথাই তো
রয়ে যায় ইথারে,
চিন্তার বরফ শীতল নখ
আঁচড়ে চলে অবিরত মস্তিষ্কের জঠরে।
ব্যাথা জন্মায়, রক্ত গড়ায়
তবু আজ আর টের পাইনা কিছুই।
জমানো জীবানুর মত
পোষ মানা যাতনায়,
তুমি একবারও কি দিতে পারোনা
উপশমের মত
প্রার্থিত সোম??
