মেঘা আর উদয় সম্পর্কটা দীর্ঘদিনের এক নীরব মান-অভিমানের। মাঝখানে দু’বছরের বিচ্ছেদ ছিল—চাকরি আর দূরত্বের খাতিরে। আজ দীর্ঘ সময় পর এই লাইব্রেরির কোণায় তাদের দেখা। অরণ্য খেয়াল করল, নীলার চোখের কাজল আজও ঠিক আগের মতোই একটু লেপ্টে আছে।
তারা লাইব্রেরি থেকে বেরিয়ে হাঁটতে শুরু করল কৃষ্ণচূড়া বিছানো রাস্তা দিয়ে। পায়ে পায়ে তারা এসে দাঁড়াল একটি ছোট ঝিলের পাড়ে। পড়ন্ত বিকেলের রোদ তখন ঝিলের জলে এক মায়াবী জলছবি তৈরি করেছে।
“তুমি কি এখনো সেই চিঠিগুলো লেখো?” নীলা হঠাত্ জিজ্ঞেস করল।
অরণ্য পকেট থেকে একটা ভাঁজ করা কাগজ বের করল। নীল রঙের কাগজে লেখা কিছু অগোছালো শব্দ। “লিখেছি, কিন্তু পোস্ট করার সাহস হয়নি। বসন্তের বাতাসে সব উড়িয়ে দেওয়ার ভয় ছিল।