অনিন্দিতা

পেয়ারী অনিন্দিতা,
লিপির প্রাতে সালাম নিও। প্রত্যাশা ঢের যথোচিত আছো। জানি, ওপারে চিত্তপ্রসাদে বাঁচো!!!
তুমিতো নেই! সেই দুই শূন্য ১৪ থেকেই! চলে গিয়েও পরাণ ধরিয়া এমনভাবে টান মারো, হৃৎপিণ্ডটা ছিঁড়ে যায় একদম! জানো, আমার অব্যক্ত বোকা কথাগুলো কারো কাছে বলতেও পারি না। তোমার নামে বড় করে শ্বাস নেই। এই দম ছেড়ে দম ধরার কষ্টটা যেন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে দাঁড় করিয়ে দেয় তোমার রেখে যাওয়া ভালোবাসা।
তোমারে দণ্ডে দণ্ডে নিশ্চিতরূপে জ্ঞাপন করে অকুন্ঠচিত্তে বলেছিলাম- আমি সহচর নিরুদ্দিষ্টের গাঢ় আলিঙ্গন ছাড়া পুনরূজ্জীবিত হতে পারছি না! একদমই না! কেন, আমার নেহাত দেহযষ্টি রেখে অখিল মনটা নিয়ে চিরশান্ত হয়ে চিরনির্বৃতির কুঠরিতে আছো পেয়ারী অনিন্দিতা?
আমিতো হতদৈব! তুমিতে আমার প্রাণের সাম্যবাদে স্নিগ্ধশীতল ভূতলে মিশে এক হতে চাই! তোমার শিরনামে জন্মানো খোশবো ছড়ানো কাঠগোলাপের মোহাচ্ছন্নতায় থাকতে চাই! ডাকবে কি আমায়? আকঁড়ে রাখবে তোমার রাজবন্দিতে?
যদি তাই চাও, পরাণ ধরিয়া নয়, রূহ ধরিয়া টান দিও!
তোমাতে প্রেরণ করিলাম এই লিপি তোমার সাড়ে তিন হাত ডাকবাক্সে! প্রত্যুত্তর দিও প্রদোষে খোয়াবে এসে”
ইতি,
তোমার মহার্ঘ