আমার বটবৃক্ষ দাদাভাই

আমার বটবৃক্ষ দাদাভাই
প্রারম্ভে আমার প্রণাম জানায় তোমার চরণে ।
দাদা কিভাবে চিঠি লিখতে হয় জানিনা । কারণ আমার তো কখনই চিঠি লিখারই প্রয়োজন পরেনি ।
কিন্তু হঠাৎ আজ কেনো জানিনা তোমায় দু’কলম লিখতে ইচ্ছে করলো ।
উড়ো চিঠি দিয়ে কিছুটা হলেও তোমায় আমার মনের কিছু না বলা কথা বলে দিতেই হয় ।
নইলে যে তোমারও অজানা থেকে যাবে তোমার কন্যাতুল্য বোনটি তোমাকে নিয়ে ঠিক কি ভাবে !?!
তাই আজ উড়ো চিঠিতে তোমায় জানালাম আমার মনের নাবলা কথাগুলো ।
রাজরাণী হয়তো হতে পারিনি ।
চেষ্টাও করিনি ।
কিন্তু আজকের দিন পর্যন্ত রাজকন্যা হয়েই আছি ।
আমাকে খুব ছোটো রেখে বাবা যখন আমাদের সব ভাইবোনদের বাবা হারা করে পরপারে চলে যায় ,
আমি ভীষণ ছোটো ছিলাম , বাবার তেমন স্মৃতি নেই বল্লেই চলে ।
কিন্তু তুমি আমাকে সহ আমাদের সব ভাই বোনকে আগলে রেখে , বুঝতেই দাওনি বাবা হারানোর কষ্ট । আজো একই মমতায় সবাইকে জড়িয়ে রেখেছো । বিনিময়ে তোমায় কখনো কিছুই দিতে পারিনি ।
সামনাসামনি কখনো বলা হয়ে উঠেনি দাদা তুমি ছাড়া আমরা অচল । তোমাকে ভিষণ ভালোবাসি । একটা মেয়ের কাছে বাবা যেমন বিরাট একটা বটবৃক্ষ,,, তুমি আমার কাছে ঠিক তেমনি ।।।
আমার সেই পিতৃতুল্য দাদা —
তোমাকে আমার কবিতায় শ্রদ্ধার্ঘ্য —
ছোট দাদাভাই ভীষণ ভালো আমার ,
দিদি ভায়েরা বন্ধু হয়েই থাকে ,,
বড় ভাই বোনেরা মায়ায় ভীষণ মাখা —
দাদাভাই আমায় বাবার ছায়ায় আগলে রাখে ।
মন্দ ভালো জীবন যেমনই হোক ,
রোদ ঝড় বা অন্ধকারে চলতি পথে ,,
বিপদ যদি ঝুপঝুপিয়েও নামে,,,
দাদা বলে , “ভয় নেই তো আমি আছি সাথে” ।
ভাই বোনরা সব একটা সুতোই আছি,,
খারাপ ভালো সব মিলিয়েই থাকে ,
এই তো মাত্র ক’দিনের-ই তো জীবন ,
দাদা আমার শেষ নিঃশ্বাসেও
যাবো তোমায় বাবার সম্মানে রেখে।।।
দাদা আমি দূরে থাকি বা কাছেই থাকি,,
জেনো তুমিই আমাদের বটবৃক্ষের ছায়া ,,
তুমিই আমাদের সুতোর নাটাই ,,
জানি তুমিই আমাদের আগলে রাখবে ,
তোমার স্নেহের মায়ায় .
দাদা তোমার পায়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে——-
—————— শেষান্তে ছোটো
ঠিকানাঃ-কংক্রিটের ব্যস্ত শহর